নন–অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (NAFLD)

NAFLD Liver

নন–অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ(NAFLD) হল লিভারেরএকটি রোগ,যার প্রধান বৈশিষ্ট্য হল লিভারের কোষে অত্যধিক চর্বি সঞ্চয় করা। লিভারে কিছুটা ফ্যাট থাকা স্বাভাবিক কিন্তু সেটা যদি 5%-10% এর বেশী হয় তখন সেটাকে ফ্যাটিলিভার(স্টিয়াটোসিস) বলে। NAFLD অনেক রকম হয়, যেমন simple steatosis, non-alcoholic steatohepatitis (NASH) এবং cirrhosis (সিরোসিস) । NASH এর বৈশিষ্ট্য হল হেপাটোসাইটের ক্ষতি, প্রদাহ এবং ফাইব্রোসিস এর থেকে লিভার সিরোসিস, হেপাটোসেলুলার কার্সিনোমা এবং লিভার ফেইলিওর হতে পারে।ভারতে 9 থেকে 32% মানুষ NAFLD তে আক্রান্ত হয়। এটি ক্রনিক লিভার ডিজিজের সবচেয়ে সাধারণ রূপ, যাজন সংখ্যার এক-চতুর্থাংশকে প্রভাবিত করে।

দেখা যাক কি কি কারণে নন -অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হয়?

  • যাদের ওজন বেশি বা স্থূলকায় বা ডায়াবেটিস, হাই কোলেস্টেরল বা হাই ট্রাইগ্লিসারাইড আছে তাদের ক্ষেত্রে নন -অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ বেশি দেখা যায়।
  • দ্রুত ওজন কমানো এবং সঠিক মাত্রায় খাদ্য গ্রহন না করলেও নন -অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ(NAFLD) দেখা যায়।
  • এছাড়া কিছু জিনগত মিউটেশনের কারনেও হতে পারে, যেমন-গ্লাইকোজেন স্টোরেজ ডিজিজ(PHKA2, PHKB), লিপোডিস্ট্রোফি(AGPAT2, BSCL2)
  • TPN(TOTAL PARENTERAL NUTRITION)- কার্নিটাইন ফ্যাটি অ্যাসিড স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় একটি যৌগ যার ফলে বিটা জারণ সম্ভব। দীর্ঘদিন এই অবস্থায় থাকলে কার্নিটাইন হ্রাস পায় এবং অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন কমে যায় সেখান থেকে মাইটোকন্ড্রিয়াল ফাংশনের অবনতি ঘটে অবশেষে হেপাটিক ডিসফাংশন হয়।
  • জেজুইনাল বাইপাস সার্জারিতে 40% অস্বাভাবিক LFT এবং 6% স্টিটো হেপাটাইটিস  হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
  • অনেকদিন ধরে অনাহারে থাকলে সেখান থেকেও নন -অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হতে পারে।
  • এমন কিছু ওষুধ(HAART) যা HIV রোগের সময় ব্যাবহার করা হয় ,এর ফলে হয়ত AIDS রোগ কমছে কিন্তু লিভার   ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এছাড়া Amiodarone, Tamoxifen, Methotrexate, perhexiline, 4,4’-diethylaminoethoxyhexestrol (DH),Corticosteroids, Protease inhibitors, Aspirin, Ibuprofen এইসব ওষুধের কারনেও হতে পারে।
  • সিলিয়াক ডিজিজ, উইলসন ডিজিজ, হেপাটাইটিস সি ভাইরাস এসবের কারনে NAFLD হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • ক্রনিক কিডনী ডিজিজ থেকেও হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

প্রাথমিক ভাবে কোন লক্ষণ  দেখা  না গেলেও পরবর্তী সময়ে  নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি দেখা যায় , যেমন:-

Symptoms of NAFLD
  • ক্লান্তি
  • পেটের উপরের ডানদিকে ব্যথা বা অস্বস্তি
  • ওজন হ্রাস
  • ক্ষুধা হ্রাস
  • বমি বমি ভাব
  • ত্বক এবং চোখ হলুদ হওয়া (জন্ডিস)
  • চুলকানি
  • পা ফুলে যাওয়া
  • মানসিক বিভ্রান্তি।

একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট এবং নিয়মিত ব্যায়াম এই রোগের হাত থেকে আমাদের বাঁচাতে পারে, এবং লিভারের ক্ষতি হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে। চলুন দেখা যাক কোন কোন খাবার আমাদের মেনুতে রাখতে হবে:

 সবজিবীট, গাজর, ব্রোকলি,
আস্তশস্যদানাগম, চাল, ভুট্টা, রাই, বার্লি এবং ওটস,
মাছ এবং সামুদ্রিক খাবারসালমন, সার্ডিন, টুনা
omega-3 fatty acidsমাছ, মাছেরতেল, অলিভ অয়েল,ফ্লেক্স সিড  এবং ফ্লেক্স সিড অয়েল
monosaturated fatজলপাই, বাদাম এবং অ্যাভোকাডো
বাদামআখরোট
ফলঅ্যাভোকাডো, পেপে, তরমুজ, আঙুর
কফি, গ্রিন টী
গ্রহণযোগ্য খাবার
খেজুর বা নারকেল তেল দিয়ে তৈরি বেকড পণ্য এবং ভাজা খাবার।
চিনি যুক্ত আইটেম যেমন ক্যান্ডি,  সোডা,
ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ সহ অতিরিক্ত শর্করা সহ অন্যান্য খাবার।
    ফ্যাটযুক্ত চিজ।
অ্যালকোহল
processed food
রেডমিট, পোলট্রি
যেসব খাবার অনুপযুক্ত

Lifestyle Intervention: আমাদের লক্ষ্য হল আমাদের ওজনের 7%-10% কমানো এবং তার সাথে শরীরচর্চা করা।

Pharmacological intervention: বর্তমানে এখনো কোন ওষুধ নেই যা NAFLD অথবা NASH.  র চিকিৎসা করতে পারে। যাদের হার্টের সমস্যার সাথে সাথে  NAFLD অথবা NASH  বা সিরোসিস  রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে statins ওষুধটা ব্যবহার করা যেতে পারে।

  • নন-ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষেত্রে যাদের বায়োপসিতে দেখা গেছে NASH উপস্থিত  তাদের জন্য প্রতিদিন Vitamin E 800 IU দেওয়া যেতে পারে।
  • ননডায়াবেটিক রোগী বা যাদের Type 2ডায়াবেটিস আছে এবং যাদের বায়োপসিতে দেখা গেছে NASH আছে  তাদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন Pioglitazone 30 mg দেওয়া যেতে পারে।

 NAFLD (LFT, Fibroscan) এর স্ক্রিনিং ভীষণ জরুরি ,   এগুলির মাধ্যমে প্রাথমিক ভাবে NAFLD সনাক্ত করা সম্ভব। এই রোগ থেকে আমরা তখনই সেরে উঠবো যখন আমরা একটা সুন্দর জীবনযাপন করব, তাই  শুধু ওষুধ নয় সাথে সঠিক খাবার এবং ব্যায়ামও এতটাই জরুরি। 

Call us on 03341804141 for all kind of dietary consultation and nutritional assessment.

Published by Dr.Pratim Sengupta

Dr. Pratim Sengupta thinks of himself as conscious, living, soulful being with an inner urge to break the inertia of life. He feels that life is nothing but a material expression of the Supreme Almighty Consciousness. His conscious existence empowered him to see, to hear, to talk, to interact, to feel, to dream, to ask questions, and to seek solutions to every problem. In the flow of life, as he grew up, he understood that knowledge of life is the only way to understand the scientific basis of conscious existence. Hence Dr. Sengupta felt the urge to study the science of life – i.e. Medicine. After he completed his higher secondary education from the Ramakrishna Mission Vidyamandira in Belurmath, he joined the MBBS (Bachelor of Medicine, Bachelor of Surgery) course at RG Kar Medical College, Kolkata. The professional packaging of knowledge in terms of a time-bound, goal-oriented syllabus frustrated him a bit, but nevertheless ignited the urge within him to study further. He thus went on to his post-graduation (MD) in Medicine from IPGMER and SSKM Hospital, Kolkata. During his MD training, he got a glimpse of the vastness of knowledge, and the quest to learn precisely the facts of life narrowed down his area of interest to the functioning of the kidneys and the specialisation of Nephrology – a discipline that is complex, yet relatively new and still evolving in terms of complete understanding of renal physiology and pathology. So, Dr. Sengupta decided to study and train for the DM (Doctorate of Medicine) degree in Nephrology. Right from the start of his career, Dr. Sengupta was passionate about Research. During the MD programme he worked on Cirrhotic Cardiomyopathy, Autonomic Neuropathy of Lupus, and Insulin resistance in Diabetics. All these research studies were published in national journals. During his postdoctoral study in Nephrology, he worked on Hemodialysis efficiency, and suggested an angular placement of the Dialyser in order to increase efficiency. This innovative concept was accepted for presentation at the World Congress of Nephrology, Milan, in 2009, and also published in Hemodialysis International. Dr. Sengupta also worked on Plasmapheresis – a blood filtering technique by which toxic and pathogenic immunoglobulins can be removed from the body. He studied the role of Prethymectomy Plasmapheresis in Myasthenia Gravis patients, and his findings were published in the journal Interactive Cardiovascular and Thoracic Surgery. The patient-empowered nutritional model for nutritional care of kidney patients is another interesting and innovative area in which Dr. Sengupta has worked for quite a long time. Dr.Pratim Sengupta won the Bharat Jyoti award for his excellency in the field of medicine. He is also the president of our non-governmental organization, The Kidney Care Society. His tireless contribution to provide quality living for his patients is worth mentioning. He introduced Mukti, blending ancient Indian yoga with modern medicine for well being of every patient. He has also introduced an unique online course "Art of Living with diabetes" which is a complete solution to diabetes management. He has authored many books, blogs, for the patients. Searching and researching for solutions to problems in the field of Nephrology remains the passion and dream of Dr. Pratim Sengupta, and he intends to persist on this journey as long as he is conscious. Meanwhile, even as he pursues his dreams, Dr. Sengupta diligently puts into practice all he has learned about Nephrology over the years, at the Belle Vue Clinic in Kolkata and ILS hospital,Dumdum where he is available for his patient

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: